Krishak Bandhu: কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ভেরিফিকেশন চালু! কি কি ডকুমেন্ট লাগবে, ফর্ম কোথায় জমা দিব?

Krishak Bandhu Field Verification

Krishak Bandhu Field Verification : পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের আর্থিক সুবিধার্থে  বিভিন্ন সময় নানা ধরণের উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, আর এমনই একটি উদ্যোগের মধ্যে একটি হল ”কৃষক বন্ধু” (Krishak Bandhu) প্রকল্প। এর মাধ্যমে যোগ্য কৃষকদের জমির পরিমাণ অনুযায়ী বছরে দুইবার নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকেন। বর্তমানে এই প্রকল্পের ( Government Scheme) উপভোক্তাদের নথি রি-ভেরিফিকেশন চলছে। হ্যাঁ, সরকারি নির্দেশ অনুযায় কৃষকের মিলিয়ে দেখার জন্য  “কৃষক বন্ধু রি-ভেরিফিকেশন” চালু করা হয়েছে। যাতে কৃষকের তথ্য/জমি/ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য পুনরায় যাচাই বা সংশোধনের  জন্য । এর জন্য কী কী নথি লাগছে, কোথায় ফর্ম জমা দিতে হচ্ছে জেনে নিন।

Krishak Bandhu Field Verification

West Bengal Government Scheme is Krishak Bandhu

কৃষক বন্ধু রি-ভেরিফিকেশন কিভাবে করব?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকল্প কৃষক বন্ধু রি-ভেরিফিকেশন ফর্ম পূরণ করার জন্য আপনাকে প্রথমে স্থানীয় ব্লক কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে অথবা অনলাইন থেকে ফর্ম  সংগ্রহ করতে পারেন। এবং সেই ফর্ম  সঠিকভাবে পূরণ করে নিবেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ তা জমা দিতে হবে স্থানীয় ব্লক কৃষি অফিসে বা স্থানীয় পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপ্যালিটি অফিসে জমা করতে পারেন।

কি কি ডকুমেন্টস বা নথি লাগবে কৃষক বন্ধু রি-ভেরিফিকেশনে?

রি-ভেরিফিকেশন বা তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে নিরাপদভাবে এগুলো সঙ্গে রাখুন:

  • ভোটার কার্ড (EPIC)
  • কৃষক বন্ধু ID/নম্বর, যদি থাকে
  • আধার কার্ড
  • জমির পরচা/খতিয়ান ও জমির নথি
  • ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতা অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী বাতিল চেক
  • মোবাইল নম্বর, বিশেষ করে আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল
  • জমির তথ্য কৃষক বন্ধু ডেটাবেসে না থাকলে স্ব-ঘোষণাপত্র লাগতে পারে। সরকারি নির্দেশিকাতেও জমির তথ্যের জন্য স্ব-ঘোষণাপত্রের ফর্মের উল্লেখ রয়েছে।

*বিবাহিত হলে:-

 1) স্বামীর নামে কৃষক বন্ধু হলে স্ত্রীর আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাংক পাশবুক লাগবে।
2) স্ত্রীর নামে কৃষক বন্ধু হলে স্বামীর আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাংক পাশবুক লাগবে।

সরকারি কৃষক-সংক্রান্ত পোর্টালে বর্তমানে নথি আপলোডের ক্ষেত্রে Voter ID, Land Document এবং Bank Passbook-এর প্রথম পাতা চাওয়া হচ্ছে।

ফর্ম কোথায় জমা দেবেন?

আপনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো নিজের এলাকার সংশ্লিষ্ট ব্লক কৃষি দপ্তর (Assistant Director of Agriculture/সহকারী কৃষি অধিকর্তার দপ্তর)। সরকারি নির্দেশিকায় কৃষকের আবেদন যাচাই ও ডিজিটাইজেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্লক কৃষি দপ্তরের ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে।

অনেক ক্ষেত্রে অনলাইনেও কৃষকের তথ্য যাচাই/আপডেট করা যায়। সরকারি e-Paddy Farmer Profile-এ কৃষক তাঁর Aadhaar, Bank Account, Krishak Bandhu ও Mobile সংক্রান্ত তথ্যের status দেখতে এবং প্রয়োজন হলে update করতে পারেন

কৃষক বন্ধুর টাকা কবে থেকে ছাড়বে?

বর্তমান নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশন (Verification) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাস নাগাদ কৃষকবন্ধু প্রকল্পের খরিফ মরসুমের টাকা কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হতে পারে।

বর্তমান আপডেট
  • নথি যাচাই: বর্তমানে অযোগ্য নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা তৈরি করতে পোর্টালে তথ্য যাচাই ও কারিগরি পরিবর্তনের কাজ চলছে।
 

কৃষক বন্ধু টাকা স্ট্যাটাস চেক করার উপায়

  • নথিভুক্ত কৃষকের তথ্য: হোম পেজ থেকে ‘নথিভুক্ত কৃষকের তথ্য’ অপশনে ক্লিক করুন।
  • তথ্য প্রদান: আপনার ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর বা কৃষক বন্ধু আইডি (KBID) দিয়ে সার্চ করুন।
  • স্ট্যাটাস দেখুন: ট্রানজাকশন স্ট্যাটাস (Transaction Status) থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়েছে কি না তা জানতে পারবেন।
  • অন্যান্য মাধ্যম: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট, পাসবুক আপডেট বা ফোনের এসএমএস (SMS) চেক করেও টাকা ঢোকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন

কৃষকবন্ধু ডেথ বেনিফিট: কৃষক বন্ধু মৃত্যুজনিত সহায়তা কি?

পশ্চিমবঙ্গের কৃষক বন্ধু প্রকল্প-এর অধীনে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের কোনো নিবন্ধিত কৃষকের বা ভাগচাষির মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২,০০,০০০ টাকা (২ লক্ষ টাকা) মৃত্যুকালীন সহায়তা (Death Benefit) প্রদান করা হয়। [1, 2]
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও যোগ্যতা
  • আর্থিক অনুদান: পরিবারের যেকোনো সদস্য বা আইনি ওয়ারিশ পান ২ লাখ টাকা।
  • বয়সসীমা: কৃষকের বয়স মৃত্যুর সময় ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্র: স্বাভাবিক বা আকস্মিক—যেকোনো কারণেই মৃত্যু হলে এই সুবিধা পাওয়া যায়।
  • কারা যোগ্য: জমির মালিক কৃষক এবং নথিভুক্ত ভাগচাষিরা (Bhagchasi) এই সুবিধার আওতাভুক্ত। [1, 2, 3, 4, 5]
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
  • মৃত কৃষকের কৃষক বন্ধু আইডি ও ভোটার কার্ড বা আধার কার্ড।
  • মৃত্যুর শংসাপত্র (Death Certificate)।
  • আবেদনকারী পরিবারের সদস্যের পরিচয়পত্র (আধার/ভোটার কার্ড)।
  • ব্যাংক পাসবুকের জেরক্স (আবেদনকারীর)।
  • আইনি উত্তরাধিকার শংসাপত্র (Legal Heir Certificate)। [1]
আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজসহ স্থানীয় ব্লক কৃষি অফিসে (BDO / Krishi Adhikari office) যোগাযোগ করতে হবে। বিস্তারিত তথ্য জানতে কৃষক বন্ধু অফিশিয়াল পোর্টাল-এ ভিজিট করতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ

শুধু কোনো বেসরকারি ওয়েবসাইটের পোস্ট দেখে টাকা দিয়ে বা অচেনা ব্যক্তির কাছে Aadhaar/OTP দেবেন না। রি-ভেরিফিকেশনের জন্য ঠিক কোন ফর্ম আপনার ক্ষেত্রে লাগবে, তা আপনার কৃষক বন্ধু রেকর্ডে কী সমস্যা দেখাচ্ছে তার ওপর নির্ভর করতে পারে।

Krishak Bandhu Field Verification

Krishak Bandhu Status CheckClick Her
Krishak Bandhu Reverification FormClick Here
Krishak Bandhu Official WebsiteClick Here
HomepageClick Here